গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকলেও নানা কারণ দেখিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এ অবস্থায় চুক্তি রক্ষায় পক্ষগুলোকে নিজেদের অঙ্গীকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে কাতার, মিসর, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র।
গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর থাকলেও নানা কারণ দেখিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এ অবস্থায় চুক্তি রক্ষায় পক্ষগুলোকে নিজেদের অঙ্গীকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছে কাতার, মিসর, তুরস্ক ও যুক্তরাষ্ট্র।
ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও দখলদার ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শিগগিরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মিসরের শারম আল-শেখ শহরে সোমবার অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলনে গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির কাগজপত্রে স্বাক্ষর হয়েছে। এ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের ঘোষণা দেন। তবে তিনি চুক্তি বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে খুব বেশি বিস্তারিত কিছু জানাননি।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ শেষ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র এ যুদ্ধ বন্ধ করেছে’।
দুই ডজনেরও বেশি দেশ গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। ২১ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের পর সোমবার এই বিবৃতিটি এসেছে।
গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে পাকিস্তানজুড়ে কেএফসির শাখাগুলোর বিরুদ্ধে একাধিক বিক্ষোভ হয়েছে।
গাজা যুদ্ধে নিহতদের প্রায় ৭০ শতাংশই নারী ও শিশু। এমনটাই জানিয়েছে, জাতিসংঘ মানবাধিকার কার্যালয়। এই হত্যাযজ্ঞকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মৌলিক নীতির ধারাবাহিক লঙ্ঘন বলেও নিন্দা করেছে জাতিসংঘ।
গাজা যুদ্ধ শেষ করতে ‘সাধ্যের মধ্যে সবকিছু’ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস।
এরইমধ্যে গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ছয় মাস পেরিয়ে গেছে। তবে যুদ্ধ বন্ধের নাম নেই। দফায় দফায় যুদ্ধবিরতির আলোচনাও গেছে ভেস্তে। এর মাঝেই মিশর সীমান্তবর্তী গাজার ভূখণ্ড রাফাতে অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল।
কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, ২০২৩ সালে নিহত ৯৯ জন সাংবাদিকের মধ্যে ৭২ জন ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধে নিহত হয়েছেন।